প্রকাশ: রবিবার, ২৩ মার্চ, ২০২৫, ৮:৩০ পিএম আপডেট: ২৩.০৩.২০২৫ ৮:৪৭ পিএম (ভিজিট : ১০৯)

ছবি: সংগৃহীত
নারায়ণগঞ্জে সাহরি রান্না করার সময় সিলিন্ডারের গ্যাস লিকেজ থেকে লাগা আগুনে একই পরিবারের তিন জন দগ্ধ হওয়ার খবর পাওয়া গেছে।
রোববার (২৩ মার্চ) ভোর চারটায় ফতুল্লার তল্লা বড় মসজিদের পাশে একটি টিনশেড বাড়িতে এ দুর্ঘটনা ঘটে। পরে দগ্ধ অবস্থায় আহতদের উদ্ধার করে সকালে জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটের জরুরি বিভাগে নিয়ে যাওয়া হয়। দগ্ধরা হলেন- হারুন অর রশিদ (৬০), রুনা আক্তার (৪০) ও মিম (১৭)।
এদিকে রোববার দুপুরে ফতুল্লার তল্লা বড় মসজিদ এলাকার টিনশেড একটি বাড়িতে গিয়ে দেখা যায়, আগুনে তিন জন দগ্ধ হলেও বাড়িটি অক্ষত রয়েছে। দগ্ধদের প্রতিবেশী নূপুর জানান, ভোরে সাহরি রান্না করতে রুনা আক্তার রান্না ঘরে প্রবেশ করে চুলা জ্বালাতে গেলে সাথে সাথে তার শরীরে আগুন লেগে যায়। এসময় সে শরীরে আগুন নিয়ে রান্না ঘর থেকে বের হলে তার স্বামী ও মেয়ে আগুন নেভাতে গেলে তারাও দগ্ধ হয়। পরে পানি ঢেলে রুনার শরীরের আগুন নেভানো হয় এবং দ্রুত ঢাকা মেডিকেলের বার্ন ইউনিটে নেওয়া হয়।
প্রতিবেশী নূপুর আরো জানান, বাড়িটিতে ছয়টি ঘর রয়েছে। এই ছয়টি ঘরের জন্য আলাদা একটি রান্না ঘর। রান্না ঘরটিতে দরজা এবং জানালা লাগানো ছিলো। সম্ভবত চুলা ঠিক মতো বন্ধ করা হয়নি অথবা সিলিন্ডারের লাইনের লিকেজ থেকে গ্যাস জমে ছিলো। যার কারণে আগুন জ্বালানোর সাথে সাথে রুনার শরীরে আগুন ধরে যায়।
এ বিষয়ে ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের নারায়ণগঞ্জের উপ-সহকারী পরিচালক মোঃ আব্দুল্লাহ আল আরেফিন জানান, সিলিন্ডারের লাইন অথবা চুলা ঠিক মতো হয়তো বন্ধ না করার কারণে রুমে গ্যাস জমে ছিলো।
এ সময় রুনা নামে এক নারী রান্নাঘরের চুলা জ্বালাতে গেলে আগুনে দগ্ধ হয়। তাকে উদ্ধার করতে গিয়ে তার স্বামী ও মেয়েও দগ্ধ হয়। পরে তাদের উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেলের বার্ন ইউনিটে পাঠানো হয়।
বিষয়টি নিশ্চিত করে জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটের আবাসিক সার্জন ডা. শাওন বিন রহমান জানান, সকালের দিকে নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লা থেকে দগ্ধ অবস্থায় তিনজনকে হাসপাতালের জরুরি বিভাগে নিয়ে আসা হয়েছে। এদের মধ্যে হারুন অর রশিদের শরীরের ১ শতাংশ, রুনা আক্তার এর শরীরের ৬২ শতাংশ ও মিমের শরীরের এক শতাংশ দগ্ধ হয়েছে। এদের মধ্যে রুনা আক্তারকে ভর্তি দেওয়া হয়েছে এবং বাকি দুজনকে অবজারভেশনে রাখা হয়েছে।