ই-পেপার বিজ্ঞাপনের তালিকা রোববার ২৬ জুন ২০২২ ১১ আষাঢ় ১৪২৯
ই-পেপার রোববার ২৬ জুন ২০২২
http://www.shomoyeralo.com/ad/Amin Mohammad City (Online AD).jpg

বাজেটে কী পেল আইসিটি ও টেলিযোগাযোগ
এসএম আমানূর রহমান
প্রকাশ: রোববার, ১২ জুন, ২০২২, ৪:১৪ এএম | অনলাইন সংস্করণ  Count : 332

তিন দিন হলো জাতীয় সংসদে বাজেট পেশ করেছেন অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল। বাজেটে বিভিন্ন খাতের বরাদ্দ নিয়ে শুরু হয়েছে আলোচনা-পর্যালোচনা। বাজেট থেকে কতটুকু পেল আইসিটি ও টেলিযোগাযোগ খাত?

চলতি বছরের বাজেটে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (আইসিটি) বিভাগ যতটুকু পেয়েছে তার থেকে অনেক বেশি হারাচ্ছে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা। ২০২২-২৩ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটে ১ হাজার ৯১৬ কোটি টাকা বরাদ্দের প্রস্তাব করা হয়েছে এই খাতের জন্য। চলতি ২০২১-২২ অর্থবছরের চেয়ে ২০২২-২৩ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটে আইসিটি বিভাগের জন্য ১৯৫ কোটি টাকা বেশি বরাদ্দের প্রস্তাব রাখা হয়েছে। ২০২১-২২ অর্থবছরে আইসিটি খাতে বরাদ্দ ১ হাজার ৭২১ কোটি টাকা বরাদ্দ রাখা হলেও সংশোধিত বাজেটে তা দাঁড়ায় ১ হাজার ৬৪২ কোটি টাকায়। সেই হিসেবে চলতি বছরে আইসিটি খাতে বেড়েছে ২৭৪ কোটি টাকা।

ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগে ২০২২-২৩ অর্থবছরে বাজেটে দুই হাজার ৪৮৭ কোটি টাকা বরাদ্দের প্রস্তাব করা হয়েছে। এই বিভাগে গত অর্থবছরের চেয়ে ৫৫৫ কোটি টাকা বেশি বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। গত অর্থবছরে ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগকে এককভাবে বরাদ্দ দেওয়া হয়েছিল দুই হাজার ৫৪৯ কোটি টাকা, যা পরে সংশোধিত বাজেটে পরিমাণ দাঁড়িয়েছিল এক হাজার ৯৩২ কোটি টাকা।

কিন্তু এসবই মন্ত্রণালয় ভিত্তিক বরাদ্দ। আইসিটি খাতের ব্যবসায়ীদের সুরক্ষায় কোনো নির্দেশনা নেই এবারের বাজেটে। দেশীয় শিল্প সুরক্ষায় নতুন করে সম্পূরক শুল্ক আরোপ করা হয়েছে আমদানিকৃত কম্পিউটার, ল্যাপটপ, মোবাইল, প্রিন্টার, টোনার, অপটিক্যাল ফাইবার এবং বহনযোগ্য ডাটা প্রসেসিং ডিভাইসের ওপর। অন্যদিকে দেশে অ্যাসাম্বল করা মোবাইল, কম্পিউটার, ল্যাপটপ, প্রিন্টার, টোনার এবং দেশে উৎপাদিত অপটিক্যাল ফাইবারের ওপর কর কমেছে। এ ছাড়াও কিউআর কোড স্টিকার স্ক্রিন প্রিন্টিং ম্যাশ, সেন্সরসহ যন্ত্রাংশের ওপর রেয়াতি (কর হ্রাস) সুবিধা প্রদান করা হয়েছে।

২০২২-২৩ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটে রেফ্রিজারেটর বা ফ্রিজ সংযোজন শিল্পে খুচরা যন্ত্রাংশ আমদানির ক্ষেত্রে উল্লেখযোগ্য হারে শুল্ক কমানো হয়েছে। এই প্রস্তাবনার মাধ্যমে দেশে ফ্রিজ উৎপাদন পর্যায়ে সংযোজনকারী বা অ্যাসাম্বলারদের উৎসাহিত করা হচ্ছে বলে মনে করছেন খাত সংশ্লিষ্টরা। এতে আমদানি ব্যয় কমাতে সরকারের নেওয়া পরিকল্পনা বাস্তবায়ন বাধাগ্রস্ত হবে। পাশাপাশি দেশীয় পূর্ণাঙ্গ ফ্রিজ উৎপাদন শিল্প খাতের অগ্রগতিও ক্ষতির সম্মুখীন হবে এবং ঝুঁকির মুখে পড়বে বলে আশঙ্কা করছেন সংশ্লিষ্টরা।

এসআরওতে রেফ্রিজারেটরের উৎপাদক প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে দুটি ক্যাটাগরি করা হয়েছে। এসআরও অনুযায়ী রেফ্রিজারেটরের প্রধান অংশ (মেইন পার্টস) এবং যেকোনো দুটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ উৎপাদন করলে কোনো প্রতিষ্ঠান ক্যাটাগরি-১-এর উৎপাদক হিসেবে গণ্য হবে। অন্যথায় ফ্রিজের বডি কেবিনেট উৎপাদন করলেই (বাকিটা আমদানি করে) রেফ্রিজারেটর উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান ক্যাটাগরি-২ হিসেবে গণ্য হবে। এক্ষেত্রে অতি অল্প বিনিয়োগ এবং লোকবল ব্যবহার করেই তারা উৎপাদকের সুবিধা ভোগ করতে পারবে।
এতে যেসব প্রতিষ্ঠান বিপুল বিনিয়োগের মাধ্যমে রেফ্রিজারেটরের সব ধরনের যন্ত্রাংশ তৈরি করেন, তাদের সঙ্গে সংযোজনকারী প্রতিষ্ঠানের পার্থক্য থাকবে না। ফলে স্থানীয় রেফ্রিজারেটর শিল্পে বড় বিনিয়োগ আসবে না। দেশীয় উদ্যোক্তারা পূর্ণাঙ্গ উৎপাদনমুখী শিল্পের পরিবর্তে সংযোজন শিল্প স্থাপনে বেশি আগ্রহী হবেন। ফলে দেশ বিপুল পরিমাণ কর্মসংস্থান সৃষ্টির সুযোগ হারাবে। এর বিপরীতে আমদানি ব্যয় বাড়বে। এতে বিপুল পরিমাণ বৈদেশিক মুদ্রা ব্যয় হবে, যেটা সরকারের শিল্প সহায়ক নীতি এবং অর্থমন্ত্রীর বাজেট বক্তৃতার সঙ্গে সাংঘর্ষিক। এতে করে রেফ্রিজারেটরে প্রকৃত উৎপাদনকারী শিল্পের পরিবর্তে সংযোজন শিল্প উৎসাহিত হবে। বিষয়টি পুনর্বিবেচনা করা দরকার বলে অভিমত দিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।
গত বছরজুড়ে আলোচনার শীর্ষে ছিল দেশের ই-কমার্স খাত। ইভ্যালি থেকে শুরু করে বেশ কিছু ই-কমার্স প্রতিষ্ঠানের কার্যকলাপে বেশ ক্ষতির মুখে রয়েছে দেশে গড়ে ওঠা ই-কমার্স প্রতিষ্ঠানগুলো। চলতি বছরেও ই-কমার্স প্রতিষ্ঠানগুলোর জন্য নেই কোনো নির্দেশনা।
এবারের বাজেট প্রস্তাবেও ই-কমার্স ব্যবসায়ীদের আকাক্সিক্ষত বিভিন্ন ধরনের ভ্যাট কমানোর বিষয়ে কিছুই বলা হয়নি। ই-কমার্স ব্যবসায়ী এবং সংশ্লিষ্ট অনেকেই জানিয়েছেন, বাজেটে যেসব প্রস্তাব করা হয়েছে, সেগুলো কোনো কাজেই আসবে না তাদের। কেননা ৫-৬ বছর ধরেই অর্থ মন্ত্রণালয়ে ই-কমার্স খাতের ব্যবসায়ীদের পক্ষ থেকে বিভিন্ন ধরনের প্রস্তাব দেওয়া হলেও তা আমলে নেওয়া হয়নি। এমনকি বিবেচনাও করা হয়নি। এবারও উপেক্ষিত থেকে গেছে ই-কমার্স নিয়ে বাজেট। তাই এবারেরও বাজেটে এই খাতের উন্নয়ন বা সুবিধা হবে না বলেছেন ব্যবসায়ীরা।
এ ছাড়া ভ্যাটের বিষয়টিও খুবই হতাশাজনক। কারণ হিসেবে ব্যবসায়ীরা জানান, ই-কমার্স ব্যবসায় ৫ শতাংশ ভ্যাট আরোপ করা হয়েছিল ৩ বছর আগে। ব্যবসায়ীরা প্রতিবছর এই কর বাতিল চেয়েছেন; কিন্তু বাজেটে সেটা বিবেচনা করা হয়নি। এমনকি ডেলিভারি সার্ভিস ফির ওপর এখন ১৫ শতাংশ ভ্যাট দিতে হয়। ই-কমার্স সংশ্লিষ্টরা এটাকে ৫ শতাংশ করার প্রস্তাব করা হয়েছিল। সেটাও বিবেচনায় নেওয়া হয়নি।
ই-কমার্স ব্যবসায়ীরা বলছেন, এই ডেলিভারির ওপর ১৫ শতাংশ ভ্যাটের কারণে ঢাকার বাইরে পণ্য পেতে গ্রাহকদের অনেক বেশি টাকা খরচ করতে হয়। ফলে ই-কমার্স সারা দেশে ছড়াচ্ছে না। ই-কমার্সের মতো উদীয়মান খাতে এ ধরনের ভ্যাট থাকাটা ব্যবসার প্রবৃদ্ধিতে বড় বাধা।
ই-কমার্স প্রতিষ্ঠান আজকের ডিলের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ফাহিম মাশরুর বলেন, ‘ই-কমার্স খাত নিয়ে প্রতিবছর নানা ধরনের প্রস্তাব দেওয়া হলেও কোনো কিছুই বিবেচনায় আনা হয় না। এবারও ৫টি প্রস্তাব দেওয়া হয়েছিল কিন্তু কোনো কিছুই আমলে নেওয়া হয়নি এবং হচ্ছেও না। বাজেটে ই-কমার্স খাতের খুব একটা লাভ হবে না আবার ভয়ের একটা কারণও আছে। এই বাজেটে ক্রেডিট কার্ডের ব্যবহার কমে যাবে। আর ক্রেডিট কার্ডের ব্যবহার কমে গেলে ই-কমার্স ব্যবসায় ক্ষতিগ্রস্ত হবেন ব্যবসায়ীরা। ই-কমার্স খাত নিয়ে অনেক প্রত্যাশার কথা শোনা যায়, কথাগুলো কতটুকু সত্য সেটা মিডিয়াকে সঠিকভাবে উপস্থাপনের জন্য অনুরোধ করছি। আর নিজেদের দাবির জন্য নিজেদের কাজ করতে হয়। ই-কমার্স সংশ্লিষ্ট সংগঠনগুলোকে কাজ করতে হবে। নিজেদের দাবির জন্য, নিজেদের ভালো-মন্দের জন্য ঐক্যবদ্ধ হতে হবে।’
চাল-ডালের প্রতিষ্ঠাতা এবং বাংলামেডসের পরিচালক ওয়াসিম আলিম বলেন, ‘প্রতিবারই এনবিআরকে প্রস্তাবনা দেওয়া হলেও তারা কোনো কিছুই আমলে নেয় না। অনলাইন থেকে অফলাইনেই তাদের কাছে প্রাধান্য বেশি পায়। নতুন এই খাতকে সহযোগিতা করলে এটি বড় একটি খাতে পরিণত হবে। কারণ ই-কমার্স খাত বিপুল সম্ভাবনাময়। এখানে ক্ষুদ্র, মাঝারি এবং বৃহৎ সব ধরনের ব্যবসায়ীরাই যুক্ত আছেন। তাই সবার প্রচেষ্টা এবং সহযোগিতা থাকলে এই খাতে ভালো কিছু করা সম্ভব।’
বাজেটে আমদানিকৃত ল্যাপটপের মূল্য বৃদ্ধি নিয়েও সমালোচনা রয়েছে। বিশেষত শিক্ষার্থী ও ফ্রিল্যান্সিংয়ের কাজ করা ব্যক্তিরা এর সমালোচনা করে জানান, দেশে এখনও ল্যাপটপ শিল্প আন্তর্জাতিক মান অর্জন করেনি। ফলে বাধ্য হয়েই দেশের বাইরের বিভিন্ন ব্র্যান্ডের ল্যাপটপ কিনতে হয় শিক্ষার্থী এবং ফ্রিল্যান্সারদের। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের চতুর্থ বর্ষের শিক্ষার্থী রাসেল সরকার বলেন, বর্তমান সময়ে বিশেষ করে করোনার পরবর্তী সময় থেকেই ল্যাপটপ আমাদের শিক্ষা কার্যক্রমের অবিচ্ছেদ্য অংশ। এটি আমাদের জন্য একটি শিক্ষা উপকরণ। সে হিসেবে ল্যাপটপের অতিরিক্ত দাম আমাদের জন্য বোঝা এবং এ দাম বৃদ্ধি সম্পূর্ণ অযৌক্তিক।
ফ্রিল্যান্সিংয়ের কাজ করা রবিউল ইসলাম জানান, দেশীয় শিল্পকে সুরক্ষার জন্য প্রস্তাবটি শুনতে ভালো লাগলেও আপনি চাইলেই সাধারণ মানুষকে এমন কোনো পণ্য ব্যবহারে বাধ্য করতে পারেন না, যেটি তার কোনো কাজে আসবে না। আমার ধারণা দেশে মোবাইলের মতো আন্তর্জাতিক বিভিন্ন ব্র্যান্ডের প্রতিষ্ঠানগুলো ল্যাপটপ অ্যাসাম্বলের ব্যবস্থাটি আরও জোরদার না করে আমাদানিকৃত ল্যাপটপে শুল্ক আরোপ করা হবে অযৌক্তিক।
তবে বাজেট প্রস্তাবে খুব একটা প্রভাব থাকবে না মোবাইলের বাজারে। এ বিষয়ে দীর্ঘদিন আইসিটি খাত নিয়ে কাজ করা সাংবাদিক নাজমুল হক ইমন বলেন, আসলে বাংলাদেশে বর্তমানে ওয়ান প্লাস এবং আইফোন ছাড়া বাকি সব কোম্পানি এই দেশে অ্যাসাম্বল করছে। তাছাড়া যন্ত্রাংশের ওপর নতুন করে কোনো ট্যাক্স আরোপ করা হয়নি। আর এ কারণেই এই দুটি মোবাইল প্রতিষ্ঠান ছাড়া কোনো মোবাইলেরই দাম বাড়ার সম্ভাবনা নেই।
এদিক আমদানিকৃত ফাইবার অপটিক্যাল এবং ইন্টারনেট সার্ভিসের প্রোভাইডারদের বিভিন্ন পণ্য (প্রসেসিং ডিভাইস) আমদানিতে সম্পূরক শুল্ক আরোপ দেশে বর্তমান আইএসপি বাজারকে ক্ষতির মুখে ফেলতে পারে বলে মন্তব্য সংশ্লিষ্টদের। ইন্টারনেট সার্ভিস প্রোভাইডার অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (আইএসপিএবি) সাধারণ সম্পাদক মো. ইমদাদুল হক বলেন, আসলে এটি শুধু একমাত্র খাত নয়। কম্পিউটার এক্সেসরিজের আরও বেশ কিছু খাতে প্রস্তাবিত বাজেটে খরচ বাড়িয়ে দিচ্ছে। নিশ্চিতভাবেই এর প্রভাবে আমাদের খরচ বাড়বে। আর তার প্রভাব গ্রাহকদের ওপরও পড়বে।
তিনি আরও বলেন, আমাদের খরচ বেশি হলে গ্রাহক পর্যায়ে খরচ বাড়বে। এতে ক্ষতিগ্রস্ত হবে সরকার ঘোষিত রেট। এটি অনেকেই তখন মানতে চাইবে না।
তবে এবারের বাজেটে স্টার্টআপদের জন্য রয়েছে সুখবর। স্টার্টআপগুলোর টার্নওভার করহার শূন্য দশমিক ৬০ শতাংশ থেকে কমিয়ে শূন্য দশমিক ১ শতাংশ করার প্রস্তাব করা হয়েছে প্রস্তাবিত বাজেটে। পাশাপাশি আয়কর রিটার্ন দাখিল বাদে বাকি সব রিপোর্টিং থেকে অব্যাহতির প্রস্তাবও দেওয়া হয়েছে।
প্রস্তাবিত বাজেটে স্টার্টআপ কোম্পানির লোকসান ৯ বছর পর্যন্ত সমন্বয়েরও প্রস্তাব করেন অর্থমন্ত্রী। এ ছাড়া আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে প্রতিযোগিতার মাধ্যমে ব্যবসা প্রসারের জন্য স্টার্টআপ উদ্যোক্তাদের ক্ষেত্রে ব্যয় সংক্রান্ত বিধিনিষেধ প্রত্যাহারেরও প্রস্তাব করা হয়।
অর্থমন্ত্রী বাজেট বক্তৃতায় বলেন, উদ্ভাবনী শক্তির বিকাশে প্রতিষ্ঠা করা হয়েছে স্টার্টআপ বাংলাদেশ লিমিটেড, আইডিয়া প্রকল্প ও বঙ্গবন্ধু ইনোভেশন গ্র্যান্ট (বিগ)। সরকারের এরূপ নানা উদ্যোগের ফলে ক্রমশ দেশে স্টার্টআপ ইকোসিস্টেম গড়ে উঠছে।
সেই সঙ্গে আইসিটি খাতে বরাদ্দ বাড়ানোর কারণে এই বিভাগ থেকে আরও বেশি কার্যক্রম পরিচালনা করা সম্ভব বলে মনে করছেন আইসিটি বিশেষজ্ঞরা। এই খাতের অধীনে প্রশিক্ষণ, অফিস স্পেস, পরামর্শ প্রদানসহ আরও বেশি প্রতিযোগিতার আয়োজন করা সম্ভব হবে। সেই সঙ্গে আরও বেশি মানুষকে সংযুক্ত করে বড় পরিসরে কার্যক্রম পরিচালনা করতে সক্ষম হবে আইসিটি বিভাগ।

http://www.shomoyeralo.com/ad/Local-Portal_Send-Money_728-X-90.gif



http://www.shomoyeralo.com/ad/Google-News.jpg

সর্বশেষ সংবাদ

সর্বাধিক পঠিত


ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক: কমলেশ রায়, আমিন মোহাম্মদ মিডিয়া কমিউনিকেশন লিমিটেড
এর পক্ষে প্রকাশক গাজী আহমেদ উল্লাহ
নাসির ট্রেড সেন্টার, ৮৯, বীর উত্তম সি আর দত্ত সড়ক (সোনারগাঁও রোড), বাংলামোটর, ঢাকা।

ফোন : +৮৮-০২-৯৬৩২৩৬৮-৭৪, ফ্যাক্স : +৮৮-০২-৯৬৩২৩৭৫। ই-মেইল : [email protected]