ই-পেপার বিজ্ঞাপনের তালিকা শনিবার ২২ জানুয়ারি ২০২২ ৮ মাঘ ১৪২৮
ই-পেপার শনিবার ২২ জানুয়ারি ২০২২
http://www.shomoyeralo.com/ad/Amin Mohammad City (Online AD).jpg

পাকিস্তানকে ক্ষমা চাইতেই হবে
এমএকে জিলানী
প্রকাশ: বুধবার, ৮ ডিসেম্বর, ২০২১, ২:০২ পিএম আপডেট: ০৮.১২.২০২১ ৪:৩৮ পিএম | অনলাইন সংস্করণ  Count : 236

একাত্তরে বাংলাদেশে গণহত্যা, মা-বোনদের ইজ্জতহানি ও ধ্বসলীলাসহ নানা বর্বরোচিত তাণ্ডব চালিয়েছিল পাকিস্তান। তার আগে কমবেশি ২৪ বছর পাকিস্তান বাংলাদেশকে শাসনের নামে এ দেশের সম্পদ লুণ্ঠন এবং শোষণ করেছে। বাংলাদেশ স্বাধীনতা লাভের ৫০ বছর পরও পাকিস্তান তাদের অতীতের অমানবিক এবং অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডের জন্য ক্ষমা প্রার্থনা করেনি এবং বাংলাদেশের পাওনাও বুঝিয়ে দেয়নি। উল্টো বাংলাদেশের বিরুদ্ধে এখনও ষড়যন্ত্র, জঙ্গি তৎপরতাসহ একাধিক অনৈতিক ও অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে পৃষ্ঠপোষকতা দিয়ে যাচ্ছে। সিমলা চুক্তির ভুল ব্যাখ্যা করছে পাকিস্তান। যে কারণে দুই দেশের সম্পর্ক এখন তলানিতে। 

এমন পরিস্থিতিতে ঢাকা বলছে যে দুই দেশের সম্পর্ক উন্নতি করতে হলে পাকিস্তানকে অবশ্যই বাংলাদেশের কাছে ক্ষমা চাইতে হবে এবং পাওনা পরিশোধ করতে হবে, এর কোনো বিকল্প নেই।

একাধিক কূটনৈতিক সূত্রে জানা গেছে, একাত্তরে বাংলাদেশ যখন রক্তক্ষয়ী যুদ্ধের মধ্য দিয়ে স্বাধীনতা ছিনিয়ে নেয়, তখন পাকিস্তানের কাছে সম্পত্তি ভাগাভাগিতে বাংলাদেশের পাওনা ছিল ৩৩ হাজার ৭০০ কোটি টাকা। একাত্তরের ৯ মাসে পাকিস্তান বাংলাদেশে যে ধ্বংসতাণ্ডব চালিয়েছে তার ক্ষতিপূরণ হিসেবে পাওনা ১ হাজার ৪৯ কোটি টাকা। পাকিস্তানকে এই পাওনা পরিশোধে বাংলাদেশের পক্ষ থেকে একাধিকবার তাগাদা দেওয়া হলেও পাকিস্তান এখনও তা পরিশোধ করেনি। এ ছাড়া সত্তরের ঘূর্ণিঝড়ে বাংলাদেশকে সহায়তা হিসেবে বিদেশিরা ২০ কোটি ডলার অনুদান দিয়েছিল, সেই টাকাও পাকিস্তান নিয়ে গেছে।

একাত্তরে তাণ্ডব চালিয়েই ক্ষান্ত হয়নি পাকিস্তান। একাত্তরের পরও নানা কায়দায় বাংলাদেশের বিরুদ্ধে অপতৎপরতা চালিয়ে যাচ্ছে পাকিস্তান। জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে নিয়ে পাকিস্তানের সরকারি ওয়েবসাইটে বিভিন্ন সময়ই মানহানিকর বিভিন্ন লেখা প্রকাশ করা হয়। যে কারণে ২০১৯ সালের ১২ ফেব্রুয়ারি ওই সময়ের ঢাকায় পাকিস্তানের ভারপ্রাপ্ত হাইকমিশনার শাহ ফয়সাল কাকরকে তলব করে এমন কাণ্ডের কড়া প্রতিবাদ জানায় পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। তখন ইসলামাবাদ ঢাকাকে ওই ঘটনার সন্তোষজনক কোনো জবাব দিতে পারেনি। 

তার আগে, বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ বিষয়, একাত্তরের মানবতাবিরোধী অপরাধের বিচার নিয়ে গত ২০১৩ সালে পাকিস্তান নাক গলালে দুই দেশের সম্পর্কে টানাপড়েন শুরু হয়। যার জের ধরে উভয় পক্ষই দুই দেশের কূটনীতিকদের ফিরিয়ে নেয়। মাঝে পাকিস্তানের নিয়োগ দেওয়া নতুন হাইকমিশনার ঢাকায় বসে সরকার এবং মুক্তিযুদ্ধবিরোধী কর্মকাণ্ডে লিপ্ত থাকায় তার অ্যাগ্রিমোর (নতুন হাইকমিশনারকে গ্রহণ বিষয়ে সম্মতিপত্র) বিষয়ে কিছুই জানায়নি সরকার।

ঢাকা ইসলামাবাদ সম্পর্ক গত কয়েক বছর ধরে যখন টানাপড়েনের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে তখন পাকিস্তান ২০১৯ সালে বাংলাদেশের কূটনীতিকের ভিসা নবায়নের বিষয় ঝুলিয়ে রাখলে, প্রতিবাদে বাংলাদেশের ইসলামাবাদ মিশন পাকিস্তানের নাগরিকদের জন্য ভিসা ইস্যু কার্যক্রম বন্ধ করে দেয়। এ ছাড়া জঙ্গি তৎপরতায় লিপ্ত থাকায় পাকিস্তানি এক কূটনীতিককে ফিরিয়েও দিয়েছে বাংলাদেশ। সর্বশেষ পাকিস্তানের শিক্ষা বোর্ডের ২০২০-২১ বর্ষের একাধিক পাঠ্যপুস্তকে বাংলাদেশ সম্পর্কে ভুল তথ্য দেওয়া হয়। 

পাকিস্তানের ক্ষমা চাওয়া এবং অপকর্ম সম্পর্কে একাত্তরের ঘাতক দালাল নির্মূল কমিটির নির্বাহী সভাপতি এবং সাংবাদিক শাহরিয়ার কবির এই প্রতিবেদককে বলেন, ‘গত ৩০ বছরে একাত্তরের ঘাতক দালাল নির্মূল কমিটি তিনটি বিষয় নিয়ে কথা বলছে। একটি হচ্ছে, একাত্তরের গণহত্যার জন্য পাকিস্তানকে আনুষ্ঠানিকভাবে ক্ষমা চাইতেই হবে। দুই, এই গণহত্যার জন্য যারা দায়ী তাদের বিচারের জন্য বাংলাদেশের হাতে সোপর্দ করতে হবে, পাকিস্তানের জেনারেলরা যারা সামরিক কর্মকর্তা। তিন, একাত্তরে আমাদের যে পাওনা তা পরিশোধ করতে হবে। পাকিস্তান সরকার এগুলোর কোনোটাই করেনি। বরং পাকিস্তান উল্টো গণহত্যাকে অস্বীকার করছে। শুধু তাই নয়, বাংলাদেশের বিরুদ্ধে পাকিস্তান তাদের দূতাবাস এবং এজেন্টের মাধ্যমে এখনও ষড়যন্ত্র অব্যাহত রেখেছে।’

শাহরিয়ার কবির আরও বলেন, ‘এ জন্য আমরা বলেছি যে পাকিস্তানের মতো এমন দুর্বৃত্ত রাষ্ট্রের সঙ্গে আমাদের কূটনৈতিক সম্পর্ক রাখার প্রয়োজন নেই। কূটনৈতিক সম্পর্কটাকে সর্বনিম্ন পর্যায়ে নামিয়ে এনে পাকিস্তানকে একটা শিক্ষা দেওয়া উচিত।’ 

তিনি আরও বলেন, ‘পাওনা পরিশোধ করতে হবে। ১৯৪৭ সালে পাকিস্তান-ভারত ভাগের তিন মাসের মধ্যে ভারত পাকিস্তানকে পাওনা পরিশোধ করেছে। এটাই আন্তর্জাতিক নিয়ম। এখন পাকিস্তান তো আন্তর্জাতিক আইন-রীতি-নীতি, জেনেভা কনভেনশন ও ভিয়েনা কনভেনশন কোনো কিছুই তোয়াক্কা করে না। এ জন্য পাকিস্তানকে সবাই দুর্বৃত্ত রাষ্ট্র বলে। পাকিস্তানের পণ্ডিত ব্যক্তিরাও দেশটিকে দুর্বৃত্ত রাষ্ট্র বলে থাকে। এ দুর্বৃত্ত রাষ্ট্রের সঙ্গে বিরাট কূটনৈতিক সম্পর্ক রাখার কোনো প্রয়োজন আছে বলে মনে করি না। এটাকে সর্বনিম্ন পর্যায়ে নামিয়ে আনতে হবে। সম্পর্ক ছিন্ন করার কথা বলি না, কারণ সম্পর্ক ছিন্ন করলে পাওনা আদায়ের পথ বন্ধ হয়ে যাবে বা বিচারের পথ বন্ধ হয়ে যাবে, তখন তাকে বাধ্য করা যাবে না।’

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ড. ইমতিয়াজ আহমেদ এই প্রতিবেদককে বলেন, ‘পাকিস্তান যাতে ক্ষমা চাইতে বাধ্য হয় এ জন্য জনমত সৃষ্টি করতে হবে। পাকিস্তানের ক্ষমা চাওয়ার বিষয়ে ঢাকা শান্তি সম্মেলনে পাকিস্তানের সাবেক কূটনীতিক হুসেন হাক্কানি যেভাবে বলেছেন, পাকিস্তানে এমন যারা সচেতন ব্যক্তি আছেন তাদেরও বাংলাদেশে আনা প্রয়োজন। পাকিস্তানের পণ্ডিতদের মধ্যে একটা সংখ্যা স্বীকার করে যে পাকিস্তান সেনাবাহিনী বাংলাদেশে গণহত্যা চালিয়েছে, পাকিস্তানের ভেতর এই সংখ্যাটা বাড়ানো প্রয়োজন। এই বিষয়ে পাকিস্তানের ভেতরে একটা জনমত সৃষ্টি করা প্রয়োজন। এখন সুবিধা আছে যে প্রযুক্তির মাধ্যমে ওয়েবিনার করা যায়, এক্ষেত্রে মিডিয়ারও দায়িত্ব আছে, মিডিয়া এসব বিষয় তুলে ধরতে পারে এবং পাকিস্তানের লোকজনের সঙ্গে কথা বলতে পারে। যত বেশি জনমত তৈরি হবে, তখন পাকিস্তানের ভেতরে একটা পরিবর্তন আসবে। সম্পর্ক ভালো করতে হলে একাত্তরকে অস্বীকার করে সম্পর্ক ভালো করা সম্ভব নয়। যে কারণে হয়তো তারা দ্বিধা করছে বা মনে করছে যে এটা একাত্তরের গণহত্যা স্বীকার করলে তাদের ক্ষতিপূরণ দেওয়ার বিষয় আছে, সম্পদ ভাগাভাগির যে বিষয় আছে, সেগুলো চলে আসবে। আমি মনে করি, সেগুলো অনেক পরের বিষয়, যে বিষয়টা নিয়ে সম্পর্ক উন্নয়ন সম্ভব সেটা হলো একাত্তরের গণহত্যাকে স্বীকার করা এবং যারা গণহত্যায় জড়িত ছিল তাদের তালিকা দেওয়া হয়েছিল, তাদেরও আইনের আওতায় নিয়ে আসা।’

পাকিস্তানের সাবেক কূটনীতিক এবং সাংবাদিক গত পাঁচ ডিসেম্বর ঢাকায় অনুষ্ঠিত বিশ্ব শান্তি সম্মেলনে বলেন, ‘একাত্তরের অপরাধের জন্য পাকিস্তানের উচিত বাংলাদেশের কাছে ক্ষমা চাওয়া।’
বাংলাদেশের কাছে পাকিস্তানের ক্ষমা চাওয়া এবং পাওনা পরিশোধ ইস্যুতে সর্বশেষ গত সাত জানুয়ারি পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শাহরিয়ার আলম পাকিস্তানের হাইকমিশনার ইমরান আহমেদ সিদ্দিকিকে একাত্তরের অপরাধের জন্য পাকিস্তানকে আনুষ্ঠানিকভাবে ক্ষমা চাইতে বলেন।

পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শাহরিয়ার আলম এই প্রতিবেদককে বলেন, ‘বাংলাদেশের পররাষ্ট্র নীতি অনুযায়ী প্রতিবেশী দেশগুলোর সঙ্গে সম্পর্ক আরও ঘনিষ্ঠ করতে চাই। সম্পর্ক ঘনিষ্ঠ করতে পাকিস্তানের সহায়তা প্রয়োজন। একাত্তরে মুক্তিযুদ্ধের সময় পাকিস্তান বাংলাদেশের নাগরিকদের ওপর যে অমানবিক কাণ্ড ঘটিয়েছে, তার জন্য পাকিস্তানের উচিত আনুষ্ঠানিকভাবে বাংলাদেশের কাছে ক্ষমা চাওয়া। পাকিস্তানের কাছে পাওনা বাংলাদেশের হিসাব বুঝিয়ে দিতে হবে। পাশাপাশি বাংলাদেশের আটকে পড়া যেসব পাকিস্তানি নাগরিক রয়েছে তাদের দ্রুত ফিরিয়ে নিতে ইসলামাবাদকে সক্রিয় হতে হবে।’

পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আব্দুল মোমেন এই প্রতিবেদককে বলেন, ‘পাকিস্তানের সাবেক কূটনীতিক খুব ভালো আলোচনা করেছেন। পাকিস্তানকে তার অপকর্মের জন্য বাংলাদেশের কাছে ক্ষমা চাইতেই হবে। এর কোনো বিকল্প নাই।’

ত্রিপক্ষীয় এবং সিমলা চুক্তি নিয়ে পাকিস্তানের ভুল ব্যাখ্যা
একাধিক কূটনৈতিক সূত্রে জানা গেছে, একাত্তরের পর মুক্তিযুদ্ধ সমর্থনকারী ভারত এবং প্রতিপক্ষ পাকিস্তানের মধ্যে ১৯৭২ সালের ২ জুলাই একটি শান্তিচুক্তি সই হয়, যা সিমলা চুক্তি নামে পরিচিত। এই চুক্তির শুরুতে বাংলাদেশও ছিল কিন্তু ওই সময়ের পরিস্থিতিতে শেষ পর্যন্ত বাংলাদেশ সেই চুক্তিতে ঠাঁই পায়নি, যদিও ওই চুক্তির অন্যতম ইস্যু ছিল বাংলাদেশ। সিমলা চুক্তির মূল বিষয় ছিল, বাংলাদেশে আটক পাকিস্তানি সেনা সদস্যদের ফিরিয়ে দেওয়া, অন্যদিকে পাকিস্তানে আটক বাংলাদেশিদের ফিরিয়ে দেওয়া। এ ছাড়া ১৯৭৪ সালে বাংলাদেশ-ভারত-পাকিস্তান মিলে একই বিষয়ে আরও একটি ত্রিপক্ষীয় চুক্তি সই করে। এই সময়ে এসে পাকিস্তান বাহাত্তরের সিমলা চুক্তি এবং চুয়াত্তরের ত্রিপক্ষীয় চুক্তিকে ভুলভাবে ব্যাখ্যা করছে। 

ক্ষমার প্রসঙ্গ উঠলে পাকিস্তান বলে যে এসব চুক্তিতে তারা ক্ষমা চেয়েছে। প্রকৃত অর্থে চুক্তিতে পাকিস্তান দুঃখ প্রকাশ (রিগ্রেট) করেছে, সেখানে ক্ষমা বিষয়ক একটি শব্দও নেই। গণহত্যার দায়ে পাকিস্তানের সামরিক সদস্যদের বিচারের বিষয়েও পাকিস্তান এসব চুক্তির অজুহাত দাঁড় করায়। প্রকৃত অর্থে পাকিস্তানি সেনাদের বিচার করতে কোনো বাধা নেই বা তাদের বিচার করা যাবে না এমন কোনো চুক্তিও হয়নি।

এই বিষয়ে বাংলাদেশে নিযুক্ত ভারতের হাইকমিশনার বিক্রম দোরাইস্বামী গত ১৫ ফেব্রুয়ারি কূটনৈতিক প্রতিবেদকদের বলেন, ‘পাকিস্তানের সেনাবাহিনী বাংলাদেশে একাত্তরে যে গণহত্যা ঘটিয়েছে তার বিচার যেকোনো সময়ই হতে পারে। এর জন্য নির্দিষ্ট কোনো সময়সীমা বাঁধা নেই। ৫০ বছর পরও এই বিচার হতে পারে। বিগত ১৯৭৪ সালের ত্রিপক্ষীয় চুক্তির অন্যতম উদ্দেশ্য ছিল যে যেসব বাংলাদেশি নাগরিক পাকিস্তানের কারাগারে আটক ছিল, তাদের যাতে দ্রুত এবং সহজে দেশে ফিরিয়ে আনা যায়।’

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যাপক ড. ইমতিয়াজ আহমেদ এই প্রতিবেদককে বলেন, ‘সিমলা চুক্তিতে যে শব্দটা ব্যবহার করা হয়েছিল সেটা হচ্ছে দুঃখ প্রকাশ, সেখানে কিন্তু ক্ষমা শব্দ ব্যবহার করা হয়নি। অনেকেই বলে যে সিমলা চুক্তিতে পাকিস্তান ক্ষমা চেয়েছে, এটা ঠিক নয়। সিমলা চুক্তিতে ত্রিপক্ষীয় একটা বিষয় ছিল। ওখানে পাকিস্তানের সৈন্য ফেরত যাওয়া, আটকে পড়া বাংলাদেশিদের নিয়ে আসা অর্থাৎ ওই সময়ে এই চুক্তিতে অনেক ধরনের বাধ্যবাধকতা (কমপালসেশন) ছিল। আর যখন ওই চুক্তিটা হয় তখনকার বাংলাদেশ আর আজকের বাংলাদেশ এক নয়। এটা খেয়াল রাখতে হবে। তখন ওই সময়ে দাঁড়িয়ে বাংলাদেশ যতটা কথা বলতে পারত আর আজকে দাঁড়িয়ে যা বলতে পারবে তার মধ্যে মৌলিক পার্থক্য আছে। এ সব কিছু বিবেচনায় পাকিস্তান যত দ্রুত ক্ষমা প্রার্থনা করবে এবং অমীমাংসিত বিষয়ের সুরাহা করবে তত দ্রুতই সম্পর্কের উন্নতি ঘটার পথ সৃষ্টি হবে।’

/জেডও/




আরও সংবাদ   বিষয়:  পাকিস্তান   যুদ্ধাপরাধ   একাত্তর   গণহত্যা   সিমলা চুক্তি  




সর্বশেষ সংবাদ

সর্বাধিক পঠিত


ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক: কমলেশ রায়, আমিন মোহাম্মদ মিডিয়া কমিউনিকেশন লিমিটেড
এর পক্ষে প্রকাশক গাজী আহমেদ উল্লাহ
নাসির ট্রেড সেন্টার, ৮৯, বীর উত্তম সি আর দত্ত সড়ক (সোনারগাঁও রোড), বাংলামোটর, ঢাকা।

ফোন : +৮৮-০২-৯৬৩২৩৬৮-৭৪, ফ্যাক্স : +৮৮-০২-৯৬৩২৩৭৫। ই-মেইল : [email protected]