ই-পেপার বিজ্ঞাপনের তালিকা  বুধবার ১০ আগস্ট ২০২২ ২৬ শ্রাবণ ১৪২৯
ই-পেপার  বুধবার ১০ আগস্ট ২০২২
http://www.shomoyeralo.com/ad/Amin Mohammad City (Online AD).jpg

কুয়েট শিক্ষকের মৃত্যু নিয়ে নানা গুঞ্জন
খুলনা ব্যুরো
প্রকাশ: বৃহস্পতিবার, ২ ডিসেম্বর, ২০২১, ৩:১১ এএম | অনলাইন সংস্করণ  Count : 307

খুলনা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (কুয়েট) ইলেকট্রিক্যাল ও ইলেকট্রনিক ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের অধ্যাপক মো. সেলিম হোসাইনের মৃত্যুর ঘটনায় তিন সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। মঙ্গলবার বেলা ৩টার দিকে সেলিম হোসাইন মারা যান। এ ঘটনার আগে তিনি লাঞ্ছিত হন বলে অভিযোগ ওঠে। এ নিয়ে দেখা দেয় নানা প্রশ্ন। প্রকৃত রহস্য উদঘাটনে বুধবার তদন্ত কমিটি গঠন করে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। অধ্যাপক সেলিম লালন শাহ হলের প্রভোস্ট হিসেবেও দায়িত্ব পালন করছিলেন। এদিকে শিক্ষকের মৃত্যুর ঘটনাকে কেন্দ্র করে বিশ্ববিদ্যালয়ের সাধারণ শিক্ষার্থী ও শিক্ষক সমিতি কুয়েটের সব ধরনের একাডেমিক কার্যক্রম বর্জনের ঘোষণা দিয়েছে।

শিক্ষকের পরিবারের সদস্যদের দাবি, সেলিম হোসাইন দুপুরে খাবার খাওয়ার জন্য বাসায় আসেন। তার স্ত্রী এক পর্যায়ে দেখেন, তিনি বাথরুম থেকে বের হচ্ছেন না। পরে তাকে দরজা ভেঙে উদ্ধার করে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে আসা হলে চিকিৎসকরা মৃত ঘোষণা করেন। স্ত্রীর দেওয়া তথ্যমতে, বেলা আড়াইটা থেকে তার ল্যাব ক্লাস ছিল। বাসায় টেবিলে খাবার প্রস্তুত ছিল। ২টার কিছু আগে বাসায় এসে বাথরুমে যান। এর পর দরজা ভেঙে নিথর দেহ উদ্ধার করা হয়। বাসায় আসার আগে তার সঙ্গে ঝামেলা হয়েছে বলে তিনি সাংবাদিকদের জানিয়েছেন।

জানা গেছে, বুধবার দুপুরে কুয়েট শিক্ষক সমিতির সভায় বৃহস্পতিবার (আজ) প্রতিবাদী কর্মসূচি পালনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এই সিদ্ধান্তের মধ্যে কুয়েট ক্যাম্পাসের দুর্বার বাংলার পাদদেশে কালো ব্যাজ ধারণ করে প্রতিবাদ সভা করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এ ছাড়া বিষয়টি তদন্ত সাপেক্ষে যতক্ষণ না দোষীদের শাস্তি নিশ্চিত করা হবে, ততক্ষণ পর্যন্ত শিক্ষকরা একাডেমিক কার্যক্রম থেকে বিরত থাকবেন বলে জানিয়েছেন কুয়েট শিক্ষক সমিতির সভাপতি প্রতীক চন্দ্র বিশ্বাস। এ ছাড়া শিক্ষার্থীদের পক্ষ থেকে আগামী দিনের মধ্যে তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেওয়ার দাবি জানানো হয়েছে।
অভিযোগ উঠেছে, কুয়েট ছাত্রলীগের একটি গ্রুপ ক্যাম্পাসের রাস্তা থেকে সেলিম রেজাকে জেরা করা শুরু করে। পরে তারা ওই শিক্ষকের ব্যক্তিগত কক্ষে প্রবেশ করে নানাভাবে মানসিক পীড়া দেয় এবং কিছুক্ষণ পর কক্ষ থেকে বের হয়ে আসে। কুয়েট ছাত্রলীগের কয়েকটি উপদলের একটি প্রভাবশালী গ্রুপ সাধারণ সম্পাদক সাদমান নাহিয়ান সেজানের নিয়ন্ত্রণাধীন। স¤প্রতি লালন শাহ ছাত্র আবাসিক হলের ডিসেম্বর মাসের ডাইনিং ম্যানেজার নির্বাচন নিয়ে নির্বাচন প্রক্রিয়াকে প্রভাবিত করার অভিযোগ ওঠে সেজান গ্রুপের বিরুদ্ধে।

এদিকে শিক্ষক মৃত্যুর ঘটনাকে কেন্দ্র করে নানা গুঞ্জন শুরু হয়েছে। কুয়েট ছাত্রলীগের একাংশ বলছে, ছাত্রলীগের আগামী কমিটি গঠন নিয়ে শিক্ষক মৃত্যুর ঘটনাকে ইস্যু করার চেষ্টা চলছে। বর্তমান উপাচার্যের মেয়াদ শেষের দিকে হওয়ার কারণেও এটি একটি চাপ প্রয়োগের বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে। আবার কেউ কেউ রাজনীতিমুক্ত কুয়েট দেখতে চান।
কুয়েট ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক সাদমান নাহিয়ান সেজান সাংবাদিকদের বলেছেন, ‘বিজয়ের মাসে নানা কর্মসূচি নিয়ে স্যারের সঙ্গে দেখা করতে গিয়েছিলাম। স্যারই আমাদের ডেকেছিলেন। স্যারের সঙ্গে একেবারেই স্বাভাবিকভাবে কথা হয়েছে।’




http://www.shomoyeralo.com/ad/Google-News.jpg

সর্বশেষ সংবাদ

সর্বাধিক পঠিত


ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক: কমলেশ রায়, আমিন মোহাম্মদ মিডিয়া কমিউনিকেশন লিমিটেড
এর পক্ষে প্রকাশক গাজী আহমেদ উল্লাহ
নাসির ট্রেড সেন্টার, ৮৯, বীর উত্তম সি আর দত্ত সড়ক (সোনারগাঁও রোড), বাংলামোটর, ঢাকা।

ফোন : +৮৮-০২-৯৬৩২৩৬৮-৭৪, ফ্যাক্স : +৮৮-০২-৯৬৩২৩৭৫। ই-মেইল : [email protected]