ই-পেপার বিজ্ঞাপনের তালিকা  বুধবার ৮ ডিসেম্বর ২০২১ ২৩ অগ্রহায়ণ ১৪২৮
ই-পেপার  বুধবার ৮ ডিসেম্বর ২০২১
http://www.shomoyeralo.com/ad/amg-728x90.jpg

৩১ শিক্ষার্থী বহিষ্কারের সিদ্ধান্ত প্রত্যাখান চমেক ছাত্রলীগের
চট্টগ্রাম ব্যুরো
প্রকাশ: বুধবার, ২৪ নভেম্বর, ২০২১, ৬:৫১ পিএম | অনলাইন সংস্করণ  Count : 110

ছাত্রলীগের দুই গ্রুপের সংঘর্ষের ঘটনায় তদন্ত কমিটির প্রতিবেদন জমার পর ৩১ শিক্ষার্থীকে বহিষ্কারের সিদ্ধান্ত প্রত্যাখ্যান করেছে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) ছাত্রলীগ।  

বুধবার (২৪ নভেম্বর) দুপুরে এক সংবাদ সম্মেলনে বহিষ্কারের সিদ্ধান্ত প্রত্যাহার ও প্রকৃত দোষীদের বিচারের আওতায় আনার দাবি জানায় ছাত্রলীগ। 

এছাড়া বর্তমান একাডেমিক কাউন্সিলের গঠন প্রণালী অবৈধ বলে দাবি করা হয়। একইসাথে ইন্টার্ন হোস্টেলের তত্ত্বাবধায়ক পদ থেকে ডা. মিজানুর রহমানের পদত্যাগও দাবি করে ছাত্রলীগ।

ছাত্রলীগ নেতারা সংবাদ সম্মেলনে বলেন, চমেক একাডেমিক কাউন্সিল কর্তৃক গঠিত তদন্ত কমিটি সুপরিকল্পিতভাবে মূল ঘটনাকে ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা করেছেন। ২৯ ও ৩০ অক্টোবর সংঘটিত সংঘর্ষের ঘটনার সিসিটিভি ফুটেজ থাকার পরেও মাহাদি জে আকিবের উপর হামলাকারীদের বিরুদ্ধে কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। 

অথচ ঘটনার সাথে সংশ্লিষ্ট নয়, এমন ২৩ জনকে কোনো সাক্ষ্য প্রমাণ ছাড়াই মৌখিক অভিযোগের ভিত্তিতে বিভিন্ন মেয়াদে বহিষ্কারের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। সন্ত্রাসী কর্মকান্ডে জড়িত ১৬ জনের মধ্যে মাত্র ৭ জনের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। 

ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা না নিয়ে নির্দোষ ছাত্রদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার কারণে চমেক ছাত্রলীগ এ বিতর্কিত সিদ্ধান্তের তীব্র প্রতিবাদ জানাচ্ছে এবং সিদ্ধান্ত প্রত্যাখ্যান করছে।

সংবাদ সম্মেলনে অভিযোগ তোলা হয়, ছাত্রলীগের রাজনীতিকে ধূলিসাৎ করার লক্ষ্যে চমেকের বর্তমান অধ্যক্ষ ডা. সাহেনা আক্তার জামায়াত শিবিরের এজেন্ডা বাস্তবায়নের লক্ষ্যে এমন বিতর্কিত সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছেন। 

চট্টগ্রাম মহানগর আওয়ামী লীগের এক নেতা ও বিএমএ চট্টগ্রাম শাখার এক চিকিৎসক নেতার তালিকা অনুযায়ী চমেক অধ্যক্ষ অধ্যাপক ডা. সাহেনা আকতার, অধ্যাপক ডা. মনোয়ারুল হক শামীম ও ডা. প্রণয় দত্তের প্রভাবে প্রভাবিত হয়ে একাডেমিক কাউন্সিল এ ধরনের সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছে।

চমেক শাখা ছাত্রলীগ অনতিবিলম্বে এই একপাক্ষিক ও উদ্দেশ্য প্রণোদিত সিদ্ধান্ত প্রত্যাহারের দাবি জানাচ্ছে। সেই সঙ্গে সঠিক তদন্ত করে উপযুক্ত তথ্য প্রমাণাদি সাপেক্ষে দোষীদের বিচারের আওতায় আনার জোর দাবি জানাচ্ছে।

সংবাদ সম্মেলনে চমেক ছাত্রলীগ নেতা তৌফিকুর রহমান ইয়ন, খোরশেদুল ইসলাম, মো. ফয়েজ উল্লাহ, মোহাম্মদ সাইফ উল্লাহ, কে এম তানভীর, অভিজিৎ দাশ ও সাজেদুল ইসলাম হৃদয় প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন। 

এর আগে মঙ্গলবার (২৩ নভেম্বর) রাতেও গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিজ্ঞপ্তিতে চমেক ছাত্রলীগ নেতারা একাডেমিক কাউন্সিলের এই সিদ্ধান্তকে বিতর্কিত উল্লেখ করে তা প্রত্যাহারের দাবি জানিয়েছেন।

উল্লেখ্য, গত ২৯ অক্টোবর রাত ও ৩০ অক্টোবর চমেক ছাত্রলীগের দুই গ্রুপের মধ্যে সংঘর্ষ হয়। এরপর অনির্দিষ্টকালের জন্য চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ ও হল বন্ধ ঘোষণা করে কর্তৃপক্ষ। এরপর মঙ্গলবার চমেক একাডেমিক কাউন্সিলের সভায় সংঘর্ষের ঘটনায় বিভিন্ন মেয়াদে ৩১ শিক্ষার্থীকে বহিষ্কার করা হয়েছে। এছাড়া ২৭ নভেম্বর প্রতিষ্ঠানটি খুলে দেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে। 

এ বিষয়ে চমেক অধ্যক্ষ অধ্যাপক ডা. সাহেনা আক্তার বলেন, বহিষ্কারের সিদ্ধান্ত নেওয়া শিক্ষার্থীরা কলেজের শিক্ষার পরিবেশ নষ্ট করেছে। সভা সমাবেশ নিষিদ্ধ থাকলেও তারা তা করেছে। এছাড়া নিজেদের মধ্যে সংঘর্ষে জড়িয়েছে। এসব কারণে তাদের বহিষ্কার করা হয়েছে।

//এসএ




এই ক্যাটেগরির আরো সংবাদ


সর্বশেষ সংবাদ

সর্বাধিক পঠিত


ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক: কমলেশ রায়, আমিন মোহাম্মদ মিডিয়া কমিউনিকেশন লিমিটেড
এর পক্ষে প্রকাশক গাজী আহমেদ উল্লাহ
নাসির ট্রেড সেন্টার, ৮৯, বীর উত্তম সি আর দত্ত সড়ক (সোনারগাঁও রোড), বাংলামোটর, ঢাকা।

ফোন : +৮৮-০২-৯৬৩২৩৬৮-৭৪, ফ্যাক্স : +৮৮-০২-৯৬৩২৩৭৫। ই-মেইল : [email protected]