ই-পেপার বিজ্ঞাপনের তালিকা সোমবার ১৮ অক্টোবর ২০২১ ৩ কার্তিক ১৪২৮
ই-পেপার সোমবার ১৮ অক্টোবর ২০২১
http://www.shomoyeralo.com/ad/amg-728x90.jpg

শত বছরের পুরনো হাটে সপ্তাহে বিক্রি হয় ১০ হাজার মণ পাট
টঙ্গিবাড়ী (মুন্সীগঞ্জ) প্রতিনিধি
প্রকাশ: বৃহস্পতিবার, ১৪ অক্টোবর, ২০২১, ৭:২১ এএম | অনলাইন সংস্করণ  Count : 49

টঙ্গিবাড়ী উপজেলার দীঘিরপাড়ে প্রতি সপ্তাহে বসে শত বছরের পুরনো সোনালি আঁশের জমজমাট হাট। প্রতি সপ্তাহের শুক্র ও সোমবার এই হাটে প্রায় ১০ হাজার মণ পাট বিক্রি হয়ে থাকে। মুন্সীগঞ্জ ছাড়াও পাশের ফরিদপুর, মাদারীপুর, শরীয়তপুর, চাঁদপুর জেলা থেকে কৃষকরা পাট নিয়ে আসেন বিক্রির আশায়।

এই হাটটি বেশ কয়েকবার পদ্মা নদীভাঙনের শিকার হলেও স্থানান্তরিত হয়ে সেই পদ্মার পারেই দাঁড়িয়ে আছে স্বমহিমায়। নদীর পারে যাতায়াতের সুবিধার কারণে কৃষকরা ট্রলারে, লঞ্চে, নৌকায় পাটবোঝাই করে নিয়ে আসেন এই হাটে। শুক্র এবং সোমবার সকাল থেকেই তাদের হাঁকডাকে সরগরম হয়ে ওঠে হাটটি।

সরেজমিনে দেখা যায়, শরীয়তপুর, মাদারীপুর চাঁদপুর, ফরিদপুরসহ বিভিন্ন জেলা থেকে ট্রলার ভর্তি পাট বিক্রির জন্য দীঘিরপাড় হাটে নিয়ে এসেছে কৃষকরা। এ ছাড়াও মুন্সীগঞ্জ জেলা সদর ও টঙ্গিবাড়ী উপজেলার বিভিন্ন গ্রাম থেকে পাট বিক্রির জন্য এসেছে কৃষক। আবার বিভিন্ন জেলা থেকে পাট ক্রয়ের জন্যও এসেছে পাইকাররা। এ অঞ্চলের পাট ঢাকা, নারায়ণগঞ্জ, চট্টগ্রাম, খুলনাসহ দেশের বিভিন্ন মিল-কারখানায় বিক্রি হয়ে থাকে। প্রতি মণ পাট বিক্রি হচ্ছে ২ হাজার ৭০০ টাকা থেকে ৩ হাজার ২০০ টাকা।

পাট বিক্রেতা লুৎফর জানান, এই হাটে পাটের দাম ভালো পাওয়া যায়। বেশি দামে বিক্রির জন্য এ হাটে পাট নিয়ে এসেছি। আর আমাদের এক মণ পাটে খরচ হয়েছে ১ হাজার ৩ থেকে ১ হাজার ৪০০ টাকা। প্রতি মণ পাট বিক্রি করছি ৩ হাজার ১০০ টাকা। পাট ক্রয় করতে আসা শাহিন বেপারি জানান, এ হাটে ভালোমানের সাদা পাট ও তোষা পাট বিক্রি হয়। পাটের বাজার বেশি হওয়ায় কৃষক লাভবান। তবে পাটের অনেক মিল বন্ধ থাকায় পাট বিক্রি করতে সমস্যা হচ্ছে। মিল কারখানা খুললে সমস্যা কেটে যাবে।

এ ব্যাপারে দীঘিরপার বাজারের সেক্রেটারি (সচিব) মফিজুল মোল্লা বলেন, এই বাজারে প্রতি শুক্রবার ৫ থেকে ৬ হাজার মণ এবং সোমবার ৩ থেকে ৪ হাজার মণ পাট বিক্রি হয়ে থাকে। সব মিলিয়ে সপ্তাহে প্রায় ১০ হাজার মণ পাট বিক্রি হয়। প্রায় ১০০ বছর ধরে এই বাজারে পাট বিক্রি হয়ে আসছে। নদীর পাশে যাতায়াতের সুবিধার কারণে বিভিন্ন জেলা থেকে এই বাজারে পাট নিয়ে আসে চাষিরা। আর এখান থেকে পাইকাররা কিনে নিয়ে পাশের নারায়ণগঞ্জসহ বিভিন্ন জেলায় পাইকারি দরে পাট বিক্রি করে থাকেন।

এ বিষয়ে টঙ্গিবাড়ী উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা জাহাঙ্গীর আলম তালুকদার বলেন, এ বছর টঙ্গিবাড়ী উপজেলায় ৭৩৮ হেক্টর জমিতে পাট চাষ হয়েছিল। পাটের দাম ভালো হওয়ায় কৃষকের মুখে হাসি ফুটেছে।




সর্বশেষ সংবাদ

সর্বাধিক পঠিত


ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক: কমলেশ রায়, আমিন মোহাম্মদ মিডিয়া কমিউনিকেশন লিমিটেড
এর পক্ষে প্রকাশক গাজী আহমেদ উল্লাহ
নাসির ট্রেড সেন্টার, ৮৯, বীর উত্তম সি আর দত্ত সড়ক (সোনারগাঁও রোড), বাংলামোটর, ঢাকা।

ফোন : +৮৮-০২-৯৬৩২৩৬৮-৭৪, ফ্যাক্স : +৮৮-০২-৯৬৩২৩৭৫। ই-মেইল : [email protected]