ই-পেপার বিজ্ঞাপনের তালিকা সোমবার ১৮ অক্টোবর ২০২১ ৩ কার্তিক ১৪২৮
ই-পেপার সোমবার ১৮ অক্টোবর ২০২১
http://www.shomoyeralo.com/ad/amg-728x90.jpg

উচ্চমাত্রার ভূমিকম্প মোকাবিলায় নিতে হবে প্রস্তুতি
মুসাহিদ উদ্দিন আহমদ
প্রকাশ: বুধবার, ১৩ অক্টোবর, ২০২১, ৯:৫৭ এএম | অনলাইন সংস্করণ  Count : 80

বিগত ২০০ বছরে বাংলাদেশে ৮টি বড় ধরনের ভূমিকম্পের মধ্যে ১৮৮৫ সালের বেঙ্গল ভূমিকম্প ও ১৮৯৭ সালের ভূমিকম্প অন্যতম। ১৮৯৭ সালের ১২ জুন রিখটার স্কেলে এ ভূমিকম্পের মাত্রা ছিল ৮ দশমিক ১, যা সর্বোচ্চ ১০ মাত্রায় পৌঁছায়। এর উপকেন্দ্র ছিল বাংলাদেশ সীমানার কাছাকাছি তৎকালীন আসাম ও আজকের মেঘালয়; উপকেন্দ্র থেকে কেন্দ্রের গভীরতা ছিল ৩২ কিলোমিটার। 

এ ভূমিকম্পে ব্যাপক সম্পদহানি ছাড়াও মারা যায় ১ হাজার ৫৪২ জন মানুষ। গত ২৮ এপ্রিল সকাল ৮টা ২৫ মিনিটে রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে ভূমিকম্প হয়। এই ভূমিকম্প ভারত, মিয়ানমার, ভুটান ও চীনেও অনুভূত হয়। কলকাতা ও আসামসহ বেশ কয়েকটি স্থানে অনুভূত এই ভূমিকম্পের উৎপত্তিস্থল ছিল গুয়াহাটি থেকে ১৬০ কিলোমিটার উত্তর-পূর্বের শোনিতপুর। আসামের তেজপুর উপকেন্দ্রের তথ্যে প্রায় ২৭ সেকেন্ড স্থায়ী এই ভূমিকম্পের মাত্রা ছিল রিখটার স্কেলে ৬ দশমিক ৪, যদিও বাংলাদেশে তা এসে পৌঁছায় ৬ দশমিক ২ মাত্রায়। ১৯১৮ সালের শ্রীমঙ্গল ভূমিকম্পের উৎপত্তিস্থল ছিল বাংলাদেশের অভ্যন্তরেই। বিগত বছরগুলোতে দেশে মৃদু ও মাঝারি ধরনের ভূমিকম্পই হয়েছে অনেক বার। তাতে বড় ধরনের কোনো ধ্বংসযজ্ঞ না হলেও বিভিন্ন স্থানে ভবন হেলে পড়া বা ফাটল ধরার ঘটনা ঘটেছে। বিগত কয়েক বছরে বাংলাদেশে সে রকম বড় ধরনের ভূমিকম্প না হলেও মাঝেমধ্যে ছোট ও মাঝারি ধরনের ভূমিকম্পে জনমনে ব্যাপক ভীতির সঞ্চার হয়। ১৯১৫ সালের ৯ সেপ্টেম্বর বিকাল ৩টা ২৮ মিনিটে রাজধানী ঢাকা ও চট্টগ্রামে রিখটার স্কেলে ৫ দশমিক ৩ মাত্রার মাঝারি ধরনের ভূকম্পনের উৎপত্তিস্থল ছিল ভারত-মিয়ানমার সীমান্ত এলাকা। 

পঞ্চাশ বছরের মধ্যে সর্বোচ্চ মাত্রার ভূমিকম্পে ২০১১ সালের ১৮ সেপ্টেম্বর সন্ধ্যা ৬টা ৪০ মিনিটে ভূপৃষ্ঠের ২০ কিলোমিটার অভ্যন্তরে এবং ঢাকার ৬৯৫ মাইল দূরে উত্তর-পূর্ব ভারতের সিকিম রাজ্যে সৃষ্ট ৬ দশমিক ৮ তীব্রতার প্রায় দুমিনিট স্থায়ী ভূকম্পনে রাজধানী ঢাকার বহুতল ভবনগুলো দুলতে থাকে। ঢাকার বাইরের বিভিন্ন জেলা শহরের মানুষও বাড়িঘর ছেড়ে নিরাপদ আশ্রয়ের খোঁজে রাস্তায় নেমে আসেন। রাজধানীর শাঁখারী বাজার এলাকার কয়েকটি পুরনো বাড়ির ছাদের কার্নিশ ভেঙে পড়ে কয়েক জন আহত হন। বাংলাদেশে অনুভূত বেশিরভাগ ভূমিকম্পের উৎপত্তিস্থল দেখা যায় সিকিমে অথবা ভারত-মিয়ানমার সীমান্তে। ভারত মহাসাগরে উত্তর সুমাত্রায় সাগরের নিচে উচ্চমাত্রা ৮ দশমিক ৬ মাত্রার ভূমিকম্পে মহাসাগর সংলগ্ন এলাকায় কোথাও সুনামি না হলেও বঙ্গোপসাগরের উত্তর সাগরতলে ৬০০ কিলোমিটার জুড়ে যে সিসমিক ফাটল রয়েছে সেখানে সৃষ্ট ভূকম্পনজনিত সুনামির প্রভাব বাংলাদেশেও পড়ে। এ ভূমিকম্প হিমালয়ের পাদদেশে ভারতীয় প্লেট ও ইউরেশিয়ান প্লেটের মধ্যে সৃষ্ট সংঘর্ষের কারণে সংঘটিত হয়েছে বলে বিশেষজ্ঞরা মত দেন। 

২০১৬ সালের ২৪ আগস্টেও বাংলাদেশে ৬ দশমিক ৮ মাত্রার ভূমিকম্পের উৎপত্তিস্থল ছিল ঢাকার আগারগাঁও আবহাওয়া অফিস থেকে ৫২৬ কিলোমিটার দক্ষিণ-পূর্বে মিয়ানমারের চাউক অঞ্চল। এ ছাড়া বাংলাদেশ আর্থকোয়েক সোসাইটির পর্যবেক্ষণ অনুসারে, ২০০৬ সাল থেকে ২০০৯ সাল পর্যন্ত বাংলাদেশে ৪ মাত্রার ১১৫টি এবং ৫ মাত্রার ১০টি ভূমিকম্প অনুভূত হয়। ২০১৫ সালের ২৫ এপ্রিল নেপালে স্মরণকালের শক্তিশালী ভূমিকম্পের উৎপত্তিস্থল ছিল ঢাকার ৭৪৫ কিলোমিটার দূরে নেপালের রাজধানী কাঠমান্ডুর মাত্র ৮১ কিলোমিটার উত্তর-পশ্চিমে লামজংয়ের ২৯ কিলোমিটার দক্ষিণ-পূর্বে পোখরা কেন্দ্রে ভূপৃষ্ঠের মাত্র ২ কিলোমিটার গভীরে। রিখটার স্কেলে ৭ দশমিক ৮ মাত্রার সেই ভূমিকম্পে গুঁড়িয়ে যাওয়া ঐতিহ্যবাহী ধারারা টাওয়ারের  মধ্যেই জীবন হারান ১৮০ জন মানুষ। রাজধানী কাঠমান্ডুতেই ৭০০ জনের বেশি মানুষের প্রাণনাশ ঘটে। সেই ভূমিকম্পে বিধ্বস্ত হয়েছিল প্রাকৃতিক সৌন্দর্যমণ্ডিত নেপালের রাজধানী হিমালয়কন্যা কাঠমান্ডুসহ দেশটির অনেকগুলো গুরুত্বপূর্ণ শহর। নেপালের বিভিন্ন শহর মিলিয়ে মৃত্যু বেড়ে ১০ হাজারে পৌঁছায়। শুধু শহরেই ক্ষতিগ্রস্ত হয় ৮০ লাখ মানুষ।

বাংলাদেশের ভূপ্রকৃতির অবস্থানের কারণে আগামীতে মাঝারি মাত্রার এমনকি উচ্চমাত্রার ভূমিকম্প আঘাত হানার আশঙ্কাকে উড়িয়ে দেওয়া যায় না। বাংলাদেশ, ভারত, মিয়ানমার ত্রিদেশীয় অঞ্চলের ভূতাত্ত্বিক গঠন ও বৈশিষ্ট্য অনুসারে এর অবস্থানকে পৃথিবীর অন্যতম সক্রিয় ভূমিকম্প বলয়ের মধ্যে ধরা হয়। বিশেষজ্ঞদের মতে, বাংলাদেশ এবং এর আশপাশের অঞ্চলে ভূমিকম্প হওয়ার মতো প্লট বাউন্ডারি বা ফাটল রেখা সক্রিয় রয়েছে, যার ফলে যেকোনো সময়ে দেশে ৮ থেকে ৯ মাত্রার ভূমিকম্প হতে পারে। রাজধানী ঢাকার মাত্র ৬০ কিলোমিটার দূরে মধুপুর অঞ্চলে ৭ থেকে ৭ দশমিক ৫ মাত্রার ভূমিকম্প হানার মতো ভূতাত্ত্বিক ফাটল রয়েছে। এ ফাটল দেশের উত্তর-পূর্বাঞ্চল অস্থির ভূস্তরের ওপর অবস্থান করায় এখানে ভূমিকম্পজনিত ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার সম্ভাবনা বেশি। ইন্দো-বার্মা-হিমালয়ান, ইউরেশীয় একাধিক ভূস্তরে ফাটলের লাইন বিস্তৃত থাকায় এর সঞ্চালনের ফলে বাংলাদেশ এবং এর আশপাশের এলাকায় ভূমিকম্প বলয়টি বিশ্বের অন্যতম ক্রিয়াশীল বলে বিবেচিত। এসব অঞ্চলের বারবার মৃদু, মাঝারি এবং কখনও এরও অধিক মাত্রার কম্পনের কারণে ভূফাটলরেখাগুলো ক্রমশ শিথিল ও নাজুক রূপ নিয়েছে, যা আগামীতে শক্তিশালী ভূমিকম্প ঘটাতে পারে। বিশেষজ্ঞদের মতে, পরপর দুবার ভূমিকম্প হলে দ্বিতীয় বারের এ ধরনের ভূমিকম্পকে ‘আফটার শক’ বলা হয়। উচ্চমাত্রার কোনো ভূমিকম্পের ফলে ভূ-অভ্যন্তরে যে ফাটল বা গ্যাপের সৃষ্টি হয় তা পূরণ করতে পরবর্তীতে আরও কিছু ছোট মাত্রার ভূকম্পন সৃষ্টি হয়। এর ফলে সাধারণত ক্ষয়ক্ষতি খুব একটা হতে দেখা যায় না। তবে জনগণের আশঙ্কা বারবার এ ধরনের ভূমিকম্প মহাপ্রলয়ের অশনিসঙ্কেত কি না!

ভূবিজ্ঞানীদের মতে, মাটির নিচে ইন্ডিয়ান ও ইউরেশিয়ান প্লেট একে অন্যের দিকে ক্রমশ এগিয়ে যাচ্ছে এবং কোনো সময় এই দুটো প্লেটের একটি অন্যটির ওপর পিছলে গেলে প্রচুর শক্তি খরচ হয়, যার ফলে দেখা দেয় ভূমিকম্প। আর এই শক্তি যত বেশি প্রবল হবে ভূকম্পনের মাত্রাও তত বৃদ্ধি পাবে। বাংলাদেশের প্রায় ৬০ ভাগ এলাকা ৩টি প্লেট বাউন্ডারির সংযোগস্থলে থাকার ফলে সেসব অঞ্চল বেশি ভূমিকম্পপ্রবণ। তা ছাড়া বাংলাদেশের ছয়টি স্থানের মাটির নিচে বড় ধরনের ফাটল রয়েছে। এর মধ্যে সবচেয়ে বড় ফাটলটি প্রায় ১০০ কিলোমিটার লম্বা। এসব ফাটলের কারণে ময়মনসিংহ, নেত্রকোনা, মৌলভীবাজার, রংপুর এবং দিনাজপুর ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় রয়েছে। ভূমিকম্পের মাত্রা ৭-এর ওপরে উঠলে রাজধানীর পুরান ঢাকার স্থাপনাগুলোর ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হবে। ঢাকা সিটি করপোরেশনের ৩,২৬,০০০ ভবনের ওপর চালানো এক সমীক্ষায় জানা যায়, এ ধরনের তীব্রতার ভূমিকম্পে প্রায় ৭২ হাজার ভবন সম্পূর্ণ ধ্বংসপ্রাপ্ত হবে এবং প্রায় ৮৫ হাজার স্থাপনা মাঝারি ধরনের ক্ষতির সম্মুখীন হবে। এখানে ৭ দশমিক ৫ মাত্রার ভূমিকম্প ঢাকার ৭২ হাজার ভবন গুঁড়িয়ে দিতে পারে এবং তাতে ৩ কোটি টনের ধ্বংসস্তূপ তৈরি হবে। রাতের বেলায় ৭ থেকে ৭ দশমিক ৫ তীব্রতার ভূমিকম্প হলে শুধু ঢাকায়ই ৯০ হাজার মানুষ হতাহত হবে। দিনের বেলায় হলে এ সংখ্যা হতে পারে ৭০ হাজার। এ ধ্বংসযজ্ঞের শুধু আর্থিক ক্ষতির পরিমাণ দাঁড়াতে পারে ৬ বিলিয়ন মার্কিন ডলার। 

ভূমিকম্প আঘাত হানার পর স্বাভাবিকভাবে বিধ্বস্ত হয় পানি, বিদ্যুৎ ও গ্যাসের মতো জরুরি ব্যবস্থাগুলো। এসব দ্রুত পুনঃস্থাপনের সামর্থ্য বা প্রস্তুতি কোনোটাই তেমন নেই বাংলাদেশে। ভূমিকম্পের মতো ভয়াবহ দুর্যোগ-পরবর্তী পরিস্থিতি মোকাবিলা ব্যবস্থাও অদ্যাবধি গড়ে ওঠেনি। দেশের বর্তমান প্রযুক্তিগত অবস্থা ও প্রয়োজনীয় যন্ত্রপাতিও ভূমিকম্প-পরবর্তী পরিস্থিতি মোকাবিলার জন্য অপ্রতুল। দেশের বৃহত্তর জনগোষ্ঠী ভূমিকম্পের মতো দুর্যোগ এবং এর পরবর্তী পরিস্থিতি সম্পর্কে একেবারে সচেতন নয়। বিশেষ করে হাসপাতাল ও ফায়ার সার্ভিসসহ গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনাগুলোকে ভূমিকম্প-প্রতিরোধী করে গড়ে তোলা অত্যাবশ্যক। এ মুহূর্তে অধিক ভূমিকম্প ঝুঁকিতে থাকা ভবনগুলোকে দ্রæত রিট্রোফিটিং করার ব্যবস্থা নেওয়া যেতে পারে। ভবনকে ভূমিকম্প সহনীয় করে তুলতে প্রস্তাবিত ২০০৬ সালের বিল্ডিং কোডের সঠিক প্রয়োগ আজও দেশে বাস্তবায়িত হয়নি। বিল্ডিং কোড মেনে বাড়িঘর নির্মাণের নিশ্চয়তা বিধানে যথাযথ কর্তৃপক্ষের তদারকি নেই। দেশ জুড়ে ভবন মালিকদের বাড়িঘর নির্মাণ, নগর পরিকল্পনাবিদদের ডিজাইনে বিল্ডিং কোড মেনে ভূমিকম্প সহনীয় প্রযুক্তি ব্যবহার করে ভবন নির্মাণের ব্যাপারে কঠোর নজরদারি প্রয়োজন। সময়ের প্রয়োজনে নির্মাণবিধি সংস্কারের জন্য বিশেষ স্থায়ী কমিটি গঠন করা আবশ্যক। ভূমিকম্প সহনীয় করে তুলতে ভবনের কাজে ব্যবহৃত এমএস রডের সঠিক মান নিয়ন্ত্রণ জরুরি। এ ছাড়া সিমেন্ট, বালি, পাথর বা খোয়া সঠিক গ্রেডিং ও মানের হওয়া অত্যাবশ্যক। হাইগ্রেড কংক্রিট ব্যবহারের মাধ্যমে ভবন স্ট্রাকচারের ওজন কমিয়ে ভূমিকম্প সহনীয় করে তোলা যায়। টেকসই ভবনের জন্য প্রণীত বাংলাদেশ ন্যাশনাল বিল্ডিং কোড-২০২০ দ্রুত প্রকাশ করে ভবন নির্মাণকারীদের তা মেনে চলার ব্যবস্থা নেওয়া দরকার।

আপৎকালীন পরিকল্পনা গ্রহণসহ ভূমিকম্প-পরবর্তী অবস্থা মোকাবিলায় এবং উদ্ধার তৎপরতা চালাতে হালকা ও ভারী যন্ত্রপাতি সুসজ্জিত করে রাখা জরুরি। সেনাবাহিনী ও ফায়ার সার্ভিসসহ সব উদ্ধারকারী প্রতিষ্ঠান ও সংস্থার সক্ষমতা বৃদ্ধি করা প্রয়োজন। ভূমিকম্পের পর উদ্ধারকাজে পাড়ায় পাড়ায় স্বেচ্ছাসেবক দলও গঠন করা যেতে পারে। দেশের অধিকাংশ মানুষ ভূমিকম্প মোকাবিলায় করণীয় সম্বন্ধে অজ্ঞাত। অফিস-আদালতে কর্মরত ব্যক্তিবর্গ, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে শিক্ষার্থীদের ভূমিকম্প-পরবর্তী পরিস্থিতি মোকাবিলার প্রস্তুতিমূলক প্রশিক্ষণ দেওয়া জরুরি। ভূমিকম্প সচেতনতায় শুধু আলোচনা নয়, আত্মরক্ষামূলক কৌশল রপ্ত করার লক্ষ্যে দেশের ইলেকট্রনিক ও প্রিন্ট মিডিয়াগুলো নিয়মিত প্রচার চালাতে পারে। ভূমিকম্প বলে-কয়ে আসে না এবং তা প্রতিরোধও সম্ভব নয়, তবে জনসচেতনতা, সতর্কতা ও ভূমিকম্প মোকাবিলার সর্বাত্মক প্রস্তুতি গ্রহণ এবং সক্ষমতা অর্জন প্রাণহানি হ্রাস ও সম্পদের ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ কমিয়ে আনতে পারে।

সাবেক প্রকৌশলী ও শিক্ষক




সর্বশেষ সংবাদ

সর্বাধিক পঠিত


ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক: কমলেশ রায়, আমিন মোহাম্মদ মিডিয়া কমিউনিকেশন লিমিটেড
এর পক্ষে প্রকাশক গাজী আহমেদ উল্লাহ
নাসির ট্রেড সেন্টার, ৮৯, বীর উত্তম সি আর দত্ত সড়ক (সোনারগাঁও রোড), বাংলামোটর, ঢাকা।

ফোন : +৮৮-০২-৯৬৩২৩৬৮-৭৪, ফ্যাক্স : +৮৮-০২-৯৬৩২৩৭৫। ই-মেইল : [email protected]